সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দীঘিরপাড় বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত সোহরাব দিঘীরপাড় ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় খানবাড়ির বাসিন্দা।
জানা যায়, সোহরাব খানের সঙ্গে ঐ এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ভোলা হালদার ওরফে ভোলা মেম্বরের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। সেই ঘটনায় সোমবার দিঘীরপাড় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে আসে দুইপক্ষ। এ সময় বিরোধে জড়িয়ে পড়লে ভুলু খান ও তার দুই ছেলে রিজভী ও রিহানসহ ৭-৮ জন সোহরাব ও জনিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে তাদের উদ্ধার করে টংগিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সোহরাব খানকে মৃত ঘোষণা করেন। জনির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
.png)
এ বিষয়ে টংগিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, নিহত সোহরাব খানের মাথায় ও বুকে গুরুতর ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া আহত জনি খানের মাথায়, বুকে ও পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আসলাম খান।