নিহতরা হলেন, থলেরবন্দ গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে নুর মোহাম্মদ (২২) এবং একই গ্রামের মৃত নইমুল্লার ছেলে আব্দুল আউয়াল (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে উপজেলার থলেরবন্দ গ্রামে তারাবির নামাজের পর আশিক মিয়ার বাড়ির সামনে একটি ঘোড়া বেঁধে রাখেন একই গ্রামের বাসিন্দা শের আলী। পরে আশিক মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়া ঘর থেকে বের হলে ঘোড়া পা দিয়ে তাকে আঘাত করে। পরে আশিক মিয়ার ভাই সাহার আলী বাড়ির সামনে কেন ঘোড়া বেঁধে রাখলেন তা শের আলীর কাছে জানতে চান।
.png)
এ সময় শের আলী ক্ষিপ্ত হয়ে সাহার আলীকে মারধর করেন। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার গভীর রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে আশিক মিয়ার পক্ষের নূর মোহাম্মদ ও শের আলীর পক্ষের আব্দুল আউয়াল গুরুতর আহত হলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নেয়ার পর দুইজনের মৃত্যু হয়।
শিমুলবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর রহমান বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশসহ আমরা রাতে ওই গ্রামে গিয়েছিলাম। ফের যেন কোনো অঘটন না ঘটে এ জন্য স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
দুইজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে শান্তিগঞ্জ থানার ওসি মুক্তাদির হোসেন জানান, একটি ঘোড়া রাখাকে কেন্দ্রে করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আসামি ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।