এ মামলায় অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। ভু্ক্তভোগী আরিফ ভাঙ্গা উপজেলার চর দুয়াইড় জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলো।
রোববার ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক শিহাবুল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন।
.png)
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে সিকিম আলী ও সদরপুর উপজেলার চরমানইর গ্রামের মালেক মাতুব্বরের ছেলে আকরাম মাতুব্বর।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পাশের বাজারের দোকানে টেলিভিশন দেখতে যেয়ে নিখোঁজ হয় আদেলউদ্দিন ওরফে আরিফ। এ ব্যাপারে পরেরদিন ভাঙ্গা থানায় একটি জিডি করে তার পরিবার। আর নিখোঁজের আটদিন পর ব্রাহ্মণপাড়ার বাওড়ের গম ক্ষেতের মধ্যে আরিফের মাথা ও দুই হাত বিচ্ছিন্ন অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা খালেক সরদার বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের পিপি সানোয়ার হোসেন বলেন, নিহতের মায়ের বাবার বাড়ির পৈত্রিক সম্পত্তির বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয় বলে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে। এরপর ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে রোববার এ রায় দেন আদালত।