মৃত জুলকাস উদ্দিন (৫২) নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ছিলেন।
পুলিশ জানায়, জুলকাসের প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কালিবাড়ি এলাকায় খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। খোরশেদার আগের সংসারে দুই ছেলে ছিল। শনিবার সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে ফয়সাল মিয়া (২৫) মায়ের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে মারতে যান। এ নিয়ে ফয়সালের সঙ্গে তর্কে জড়ান জুলকাস। এ সময় ফয়সাল তার কোমড়ের বেল্ট দিয়ে মারতে গেলে মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় জুলকাসের। এরপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান ফয়সাল।
.png)
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জুলকাসের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। জুলকাস ও ফয়সাল দুইজনই মাদকাসক্ত। ফয়সালের বিরুদ্ধে আগেও মাদক মামলা রয়েছে।
ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ফয়সাল ১০ হাজার টাকা চেয়েছিল। টাকা না পেয়ে বাবাকে কোমড়ের বেল্ট দিয়ে আঘাত করলে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।