শনিবার ভোরে ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে এই ৩ সদস্য পালিয়ে আসেন। সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের সঙ্গে থাকা অস্ত্র জমা নেয়ার পর হেফাজতে নিয়ে নেন। পরে তাদের বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নে নিয়ে যাওয়া হয়।
বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তিন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
.png)
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিজিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনজনকে হেফাজতে নেয়ার পর বিজিবি সদর দফতরে অবহিত করা হয়েছে। পরে বিস্তারিত বলা যাবে।
এর আগে, ১১ মার্চ নাইক্ষ্যংছড়ির জামছড়ি সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে আসে ১৭৯ জন মিয়ানমার বর্ডার পুলিশ-বিজিপি সদস্য। তারাও নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি ব্যাটালিয়নে রয়েছে। তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তের ওপারে আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জের ধরে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসে বিজিপিসহ ৩৩০ জন। যার মধ্যে ৩০২ জন বিজিপি সদস্য, ৪ জন বিজিপি পরিবারের সদস্য, ২ জন সেনাসদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। এদের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানো হয়।