রমজানের শুরুর দিকে আকাশচুম্বি দামের ফলে তরমুজ খাওয়ার সুযোগ পায়নি নিম্ম-মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনসহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের।
তরমুজ ক্রেতা একজন নারী জানান, নাতির আবদারে ২০০ টাকা দিয়ে একটি কিনলাম।
.png)
চৌদ্দগ্রাম বাজারের ওয়াপদা রোডে একজন বিক্রেতা জানান, পাকাপোক্ত না হওয়ায় বেশি দামে কেনা তরমুজ হ্যান্ড মাইকে ডেকে অর্ধেক দামে বিক্রি করছি। তারপরও ক্রেতারা কিনতে চায় না।
ইউএনও মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ জানান, রমজান উপলক্ষে কেজি মাপে তরমুজ বিক্রি রোধে এবং সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে উপজেলা প্রশাসন কয়েকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে। এ সময় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ীকে জরিমানাসহ সতর্ক করা হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সব সময় সতর্ক রয়েছে।