ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জয়পুরহাটে শিক্ষার্থী হত্যায় সাতজনের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:১৪, ২৪ মার্চ ২০২৪
জয়পুরহাটে শিক্ষার্থী হত্যায় সাতজনের যাবজ্জীবন
ছবি: সংগৃহীত

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৪ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জজকোর্টের সরকারি কৌঁসুলি নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আক্কেলপুরের বেগুনবাড়ি গ্রামের ফরহাদ আলী সরদার ওরফে ঝন্টু, শাকিল মাহমুদ তারিক, তৌফিকুল, ডুয়েল ওরফে বখতিয়ার, হাসিবুল হাসান, সোহাগ ও কানুপুর গ্রামের আব্দুল গফুর। আসামিদের মধ্যে আব্দুল গফুর ও সোহাগ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

মামলা সূত্রে জানা যায়, আক্কেলপুর উপজেলার দক্ষিণ কানুপুর এলাকার আফসার আলীর ছেলে আব্দুর রহিম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এমএ ক্লাসের ছাত্র ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকতেন। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতেন। পার্শ্ববর্তী বেগুনবাড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে তার যাতায়াত ছিলো। মাঝেমধ্যে রাতে তাদের বাড়িতেই থাকতেন। আবার রাত গভীর হলে দেলোয়ারের বাড়ির লোকজন আব্দুর রহিমকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিতেন। দেলোয়ারের মেয়ে দোলার সঙ্গে আব্দুর রহিমের বিয়ের কথা চলছিলো।

কিন্তু ঐ গ্রামের ফরহাদ আলী সরদার ওরফে ঝন্টু দোলাকে বিয়ে করবে বলে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আব্দুর রহিমকে শাসায় এবং দেলোয়ারে বাড়িতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরপরও আব্দুর রহিম গত ২০০০ সালের ১১ জানুয়ারি দেলোয়ারের স্ত্রী জেবুন্নেছার সঙ্গে তাদের বাড়িতে যায়। কিন্তু রাত পার হলে আব্দুর রহিম নিজ বাড়িতে আসেনি। পরের দিন সকালে তার পরিবারের লোকজন খবর পান আব্দুর রহিমের মরদেহ একটি পুকুরের পাশে রাস্তার ধারে পড়ে আছে। সংবাদ পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুর রহিমের রক্তাক্ত মরদেহ শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আসাদুল বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ২০০৭ সালের ২২ অক্টোবর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার এ রায় দেন আদালত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!