বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের হরিমৃঞ্জয় গ্রামে ঐ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (২২ মার্চ) সকালে মাজহারুল ইসলাম তার তরমুজ ক্ষেতে গিয়ে দেখেন বড় বড় সাইজের প্রায় ৫ শতাধিক তরমুজ দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে নষ্ট করেছে। উপড়ে ফেলা হয়েছে বেশকিছু গাছও।
.png)
জানা যায়, তরমুজ চাষি মাজহারুলের ক্ষেতের তরমুজগুলোর অধিকাংশই ছোট। কয়েকদিন আগে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে তরমুজ চাষি মাজহারুলের বাড়ির মিরাজ, দেলোয়ার, আনোয়ার, মামুন, ওমেন তাকে মারধর করেন ও তরমুজ কীভাবে বিক্রি করে তা দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
মাজহারুল বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে দিনরাত শ্রম দিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেলো। পারিবারিক বিরোধে আমাদের বাড়ির মিরাজ, দেলোয়ার, আনোয়ার, মামুন, ওমেন, আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে মারধর করেছে এবং তরমুজ কীভাবে বিক্রি করি তা দেখে নেয়ার হুমকি দেন। তারাই আমার তরমুজ নষ্ট করেছে। আমি এর বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ওমেন পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করলেও ক্ষেতের বাড়ন্ত তরমুজ কুপিয়ে নষ্ট করার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ঐ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।