রোজার দিনে সারাদিন বৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইর বের হননি। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ভ্যান রিকশা চালানো ও খেটে-খাওয়া সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষ বাইরে বের না হওয়ায় দিন আনা দিন খাওয়া এসব মানুষের আশানুরূপ কোনো আয় রোজগার হয়নি।
আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান জানান, বুধবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এই বৃষ্টি রাত ৯ টা পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৯ মিলিমিটার রের্কড করা হয়েছে।
.png)
তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এ কারণে চুয়াডাঙ্গাসহ খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা এক থেকে তিন ডিগ্রি এবং রাতের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি হ্রাস পেতে পারে।