ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী মো. তাজিম সরকার রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহিদওহাবপুর ইউপির পশ্চিম গৌরীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযুক্তরা হলেন মোছা. বীথি খাতুন, বীথি খাতুনের বাবা বিষু শেখ ও মা ফরিদা বেগম। তারা সবাই শহিদ ওহাবপুর ইউপির গৌরীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
জানা যায়, ভুক্তভোগী ফাতেমার স্বামী তাজিম সরকার শহিদওয়াবপুরে সালাম দেওয়ান নামে একটি জুট মিলে কাজ করেন। সে কারণে তারা পরিবারসহ সবাই একই এলাকায় কামাল নামের একজনের বাড়িতে দুই বছর ধরে ভাড়া থাকেন। ভাড়া থাকার সুবাদে বীথি খাতুনের সঙ্গে তাজিম সরকারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাঝে মধ্যে তাজিম সরকার বীথি খাতুনের বাড়িতে রাত কাটায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে ফাতেমা খাতুন এলাকার গণ্যমান্য বক্তির কাছে ঘটনাটি জানান।
এলাকার লোকজন ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হন। গত ১০ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে ফাতেমা খাতুন বীথি খাতুনের বাড়িতে তার স্বামীকে খুঁজতে যান। ওই সময় বীথি খাতুন তার গলা চেপে ধরে । আর বীথি খাতুনের বাবা বিষু শেখ তাকে মারপিট করেন। এ ঘটনার পরের দিন ১১ জানুয়ারি ফাতেমাকে বীথিদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে তার কাবিনের টাকা নিয়ে স্বামীকে ছেড়ে দিতে বলেন। পরে ফাতেমা খাতুন রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেন। এরপর রাজাবাড়ী সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ফাতেমার স্বামী তাজিম সরকারকে একাধিক বার মুঠোফোনে কল করা হলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি মো. ইফতেখারুল আলম প্রধান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তদন্ত করে জানতে পেরেছি অভিযোগকারী নারী ফাতেমার স্বামী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। কারো স্বামী কাউকে ছেড়ে গেলে আমাদের কিছু করার থাকে না। ফাতেমা চাইলে আদালতে মামলা দায়ের করতে পারেন।