সোমবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চত করেছেন পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।
জানা যায়, নিহত হৃদয় ত্রিপুরা প্রায়ই গ্রামের বিভিন্ন বিচার সালিশে কামনী কুমার ত্রিপুরার বিরোধিতা করতেন। এসব বিষয়ে কামনী কুমার ত্রিপুরার মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন।
.png)
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মাটিরাঙ্গার নতুন পাড়ায় এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে নিহতের ছোট ভাই মোহন ত্রিপুরা মাটিরাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সুপার জানান, গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারীসহ সনাতন পদ্ধতি এবং তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রাপ্ত তথ্যসূত্রে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত কামনী কুমার ত্রিপুরাকে ওয়াচু থেকে গ্রেফতার করা হয়। কামনী কুমার ত্রিপুরা বিজ্ঞ আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।