শনিবার উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউপির লখন্ডা গ্রামে অরবিন্দু বিশ্বাসের ছেলে অমিত বিশ্বাস বাড়ির পাশের বাগান থেকে গন্ধগোকুলটি আটক করা হয়।
অমিত বিশ্বাস বলেন, আমাদের বাড়ির পাশের বাগানে স্থানীয় স্কুল পড়ুয়া ছেলেরা খেলা করছিল। হঠাৎ করে এই বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুলটি দেখতে পেয়ে তারা মারতে উদ্ধত হয়। এ সময় ছুটে গিয়ে লোকজন নিয়ে গন্ধগোকুলটি আটক করি। এরপর বন বিভাগের লোকজনকে আসার জন্য ফেসবুকে পোস্ট করি। কিন্তু রোববার দুপুর পর্যন্ত বন বিভাগের কোনো লোক যোগাযোগ করেনি।
.png)
তিনি আরো বলেন, এই গন্ধগোকুলটি ছেড়ে দিলে স্থানীয় ছেলেরা এটিকে মেরে ফেলতে পারে বিধায় আটক রেখেছি।
লখন্ডা গ্রামের হরবিন্দু বিশ্বাস বলেন, সারা জীবন শুধু গন্ধগোকুলের নাম শুনেছি। আজ চোখে দেখলাম। এই প্রাণিটির শরীর থেকে কত সুন্দর যে গন্ধ আসে। এ ধরণের প্রাণী মারা উচিৎ না। এটি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেয়া উচিৎ।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা পুষ্পেন কুমার সিকদার বলেন, গন্ধগোকুল প্রাণীটি ইঁদুর ও ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের উপকার করে। এই প্রাণীটির গা থেকে পোলাও চালের গন্ধ আসে। এক সময় এই প্রাণীর শরীর থেকে নিঃসৃত রস সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।
বন বিভাগ গোপালগঞ্জের রেঞ্চ বিবেকানন্দ মল্লিক বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোববার লোক পাঠিয়েছি। ছবি দেখে মনে হলো এটি একটি বড় ধরনের গন্ধগোকুল । এরা সব সময় পরিবার নিয়ে বসবাস করে। সে ক্ষেত্রে এই গন্ধগোকুলটি আটককৃত স্থানেই ছেড়ে দিতে বলেছি।