ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫৫, ২৩ জানুয়ারি ২০২৪
গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

একদিকে তীব্র শীত অন্যদিকে ঘন কুয়াশা। মঙ্গলবার সকাল ৬ টায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা ছিল চলতি বছরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সকাল ৯ টায় তাপমাত্রা বেড়ে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উন্নতি হলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কনকনে শীত বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, কোটালীপাড়ায় ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে শৈতপ্রবাহ। কয়েকদিন ধরে দিনে কিছুক্ষণের জন্য রোদের দেখা মিললেও শৈতপ্রবাহের কারণে শীতের প্রকোপ কমছে না। 

মঙ্গলবার সকালে তীব্র শীতের মধ্যেও গচাপাড়া গ্রামের খাইরুল ইসলামকে দেখা যায় বোরো ধানের চারা রোপণ করতে।

Advertisement

তিনি বলেন, কয়েকদিন ধরে দিনমজুর না পাওয়ায় আজ কনকনে শীতের মধ্যেও বাধ্য হয়ে নিজেই বোরো ধানের চারা রোপণ করতে এসেছি। এখন ধান রোপণের সময়; কাজ না করে উপায় নেই। আমাদের বিল অঞ্চলের মানুষের শীত পড়লেও থেমে থাকার উপায় নেই। কষ্ট হলেও জমিতে কাজ করতে হচ্ছে।

কোটালীপাড়া ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক বিজন হালদার বলেন, শীত বাড়ায় ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে এবার শীতজনিত রোগীদের চাপ কম।

শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, এসব রোগ থেকে রেহাই পেতে গরম কাপড় ব্যবহার এবং যতটা সম্ভব ঠান্ডা এড়িয়ে চলা জরুরি। শিশুদের ঠান্ডা ও ধুলাবালু থেকে যতটা সম্ভব দূরে এবং শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে তাদের ঘরে রাখতে হবে।

গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান জানান, মঙ্গলবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। আগামীকাল থেকে দুইদিন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও এরপর আবার শীতের প্রকোপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!