মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক (প্রশাসন অর্থ) জসিম উদ্দিন বলেন, আগুন লাগা গুদামটিতে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত চিনি মজুত ছিল। সেগুলো এক ধরনের দাহ্য পদার্থ। পানি দিয়ে এ আগুন নেভানো যাচ্ছে না। এ কারণে নেভাতে দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেটি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি, কখন নেভানো যাবে তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে। গুদামটির চারপাশ থেকে পানি দেওয়া হচ্ছে। টিন খুলে ফেলা হচ্ছে।
.png)
এর আগে, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে গুদামটিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকলে বাড়ানো হয় ইউনিট সংখ্যা। সবশেষ ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিটের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
সোমবার রাত ১১টার দিকে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা। এরপর রাতভর চলে আগুন নেভানোর কাজ। পরদিন মঙ্গলবার দিনভরেও নেভানো যায়নি আগুন।
এদিকে, আগুন লাগার কারণে দেশের বাজারে যাতে কোনো ধরনের প্রভাব না পড়ে সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রহমান।
অন্যদিকে, বিপুল পরিমাণ চিনি মজুদ রয়েছে। ফলে একটি গুদাম পুড়ে গেলেও দেশে চিনির সংকট হবে না বলে দাবি এস আলম কর্তৃপক্ষের।