বিল্লাল পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার পূর্ব নওমালা গ্রামের মিজান রাড়ীর ছেলে। শুক্রবার রাতে বাউফল থানা পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিল্লালকে পূর্ব নওমালা নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতারের পর শনিবার গজারিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
জানা যায়, বিল্লাল তিন মাস আগে মাবিয়া খাতুনের মেসে উঠে ওই এলাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করছিলেন। কয়েকদিন বিল্লাল মিল খরচ না দিয়ে এবং কাজে না গিয়ে অলস সময় পার করছিলেন। বকেয়া মিল খরচ চাওয়ায় ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে মাবিয়া খাতুনের সঙ্গে বিল্লালের কথা কাটাকাটি হয়। ভোর রাতে মাবিয়া খাতুন প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বাইরে গেলে বিল্লাল তার মাথায় আঘাত করেন। এ সময় মাবিয়া খাতুন টয়লেটের পাশে পড়ে অচেতন হয়ে যান। বিল্লাল তখন মাবিয়া খাতুনের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন, হাতের বালা, কানের দুল ও নাকফুল নিয়ে ওই মেস থেকে পালিয়ে বাড়ি চলে যান। ভোরে মাবিয়া খাতুনকে বিছানায় না দেখে তার স্বামী গফফার মোল্লা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে টয়লেটের পাশ থেকে মাবিয়া খাতুনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে গফফার মোল্লা গজারিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর বাউফলের নওমালা গ্রামে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিল্লালকে আটক করেন।
.png)
বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, গ্রেফতারকৃত বিল্লালের কাছ থেকে মাবিয়া খাতুনের গলার চেইন, হাতের বালা, কানের দুল ও নাকফুল উদ্ধার করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানার ওসি রাজিব খান বলেন, বিল্লালকে রোববার বাউফল থেকে গজারিয়া থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আসল রহস্য উদঘাটন করা হবে।