শুক্রবার সকালে বন্দরের লেজাস এলাকার একটি বাড়ি থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং গুরুতর আহত স্বামীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর হাসপাতালে মারা যান।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় দু’জনকে আটক করছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- বাড়ির ভাড়াটিয়া ও ম্যানেজার ফরিদা বেগম ও ছেলে সিয়াম। তবে, ফরিদার স্বামী পলাতক রয়েছেন।
.png)
নিহতের মেয়ে মলি বলেন, আমরা চার বোন। দুই বোন বিয়ের পর জামাইয়ের বাড়িতে থাকে। পাশের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান থাকায় উচ্চ শব্দ ছিল। সেখানে আমি ও আমার বোন যাই। পরে সেখান থেকে এসে দরজা খোলা পেয়ে ভেতরে প্রবেশ করে শুয়ে পড়ি। সকালে মাকে গার্মেন্টসে যাওয়ার জন্য ডাকতে গেলে দেখি রক্তাক্ত অবস্থা। তখন দেখি বাবা বেঁচে আছেন। তিনি আমাদের হত্যাকারীদের বিবরণ দিয়ে গেছেন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তিনি মারা যান।
মেয়ে মলি আরো বলেন, ফরিদার সঙ্গে গ্যাসের চুলার রান্না নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল তাদের। সেই দ্বন্দ্ব থেকেই তার মাকে ও বাবাকে হত্যা করা হয়।
বন্দর থানার ওসি (তদন্ত) আবু বকর সিদ্দিক জানান, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্বামী শ্যামা চন্দ্র দাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর হাসপাতালে মারা গেছেন।
এদিকে, নিহতের মেয়ের অভিযোগে এরইমধ্যে ফরিদা ও তার ছেলেকে আটক করা হয়েছে। ফরিদার পলাতক স্বামী ফরিদকে আটক করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।