বুধবার দুপুরে নরসিংদী অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক শামিমা পারভিন এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত রায়হান মোল্লা শিবপুরের সৈয়দনগর পাঁচভাগ এলাকার বাচ্চু মোল্লার ছেলে।
মামলা সূত্র জানা যায়, স্বামী মারা যাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে দিলরুবা নামে এক নারী তার বাবার বাড়ি শিবপুর উপজেলার সৈয়দনগর পাঁচভাগ এলাকায় বসবাস করতেন। দুই সন্তানের মধ্যে আবুল বাশার ওরফে বাদশা মোল্লা স্থানীয় একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করত।
.png)
টাকা প্রয়োজন হওয়ায় ২০০৬ সালের ১৮ জুলাই বাবার বাড়িতে যায় বাদশা। ঐসময় বাদশা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে লাগানো কলাক্ষেত থেকে কলার ছড়ি কাটতে গেলে বাঁধা দেন প্রতিবেশী বাচ্চু মোল্লা, তার ছেলে রায়হান মোল্লা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের কথা উপেক্ষা করে কলার ছড়ি কাটায় বাচ্চু মোল্লার নির্দেশে তার ছেলে রায়হান মোল্লা পেছন থেকে বাদশার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেন। পরে বাদশা একদিন পর হাসপাতালে মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের দাদা নুরুল ইসলাম মৃধা বাদী হয়ে রায়হান মোল্লাসহ চারজনকে আসামি করে শিবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে রায়হান মোল্লাকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। পরে শুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় বুধবার এ রায় দেন আদালত।