শুক্রবার বিকেল থেকে সাগরকন্যাখ্যাত এ পর্যটন নগরীতে উপচেপড়া দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী আগতদের কক্ষসেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। অনেক পর্যটক হোটেলে জায়গা না পেয়ে অবস্থান নিচ্ছেন পরিচিত বন্ধু কিংবা স্বজনদের বাড়িতে। আবার অনেক পর্যটককে প্রয়োজনীয় পোশাকের ব্যাগ বালিয়াড়িতে রেখেই প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ উৎসব করতে দেখা গেছে।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক ইলিয়াস-শারমিন দম্পতি জানান, একমাত্র সন্তানকে নিয়ে সাপ্তাহিক ছুটিতে কুয়াকাটায় ঘুরতে এসেছেন বাসযোগে। তবে এতটা পর্যটকের ভিড় হবে তা তারা বুজতে পারেননি। হোটেলে কক্ষ না পেলেও তাদের পরিচিত এক বন্ধুর বাসায় রাত্রিযাপনের কথা হয়েছে।
.png)
বরিশাল থেকে আসা ছাব্বির জানান, বন্ধুদের নিয়ে দুপুরের পর কুয়াকাটায় এসেছেন। পর্যটকদের ভিড় দেখে বেশ ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে মিশে বাড়তি আনন্দ উপভোগ করছেন তারা।
সৈকত ঘুরে দেখা যায়, হাজারো পর্যটক মনের সুখে প্রিয়জনদের নিয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন। তবে স্মার্টফোনে ছবি তুলতেই আগ্রহ বেশি তরুণ-তরুণীদের।
কুয়াকাটা সমুদ্রবাড়ি রিসোর্টের পরিচালক মিরন জানান, তার রিসোর্টের সবকক্ষ দুইদিন আগেই বুকিং হয়ে গেছে। রমজানের আগ পর্যন্ত ছুটির দিনে এমন ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পর্যটক নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ তৎপর রয়েছে। কুয়াকাটা রিজিয়নের ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, পর্যটকদের কথা চিন্তা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পর্যটক সেবায় তাদের সদস্যরা যথেষ্ট দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন বলেও তিনি জানান।