বৃহস্পতিবার বিকেলে নিশ্চিতটি করেন নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. নাজিউর রহমান।
তিনি জানান, সকালে রায়পুরার আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকায় রেলপথ পারাপারের সময় ঐ ট্রেনের হুকে আটকে যান আব্দুল বারিক নামে একজন। পরে ২৫ কিলোমিটার দূর কিশোরগঞ্জের ভৈরব জংশনে গিয়ে ট্রেনটি থামালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
নিহত পানের দোকানি আব্দুল বারিক নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাসনাবাদ উত্তরপুর এলাকার কফিল উদ্দিন মীরের ছেলে।
ভৈরব রেলওয়ে থানার এসআই কার্তিক চন্দ্র রায় স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, আব্দুল বারিক আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকার একজন পানের দোকানদার। প্রতিদিনের মতো দোকানে যেতে সকালে রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনে ধাক্কা লেগে তিনি ইঞ্জিনের হুকের সঙ্গে আটকে যান। ৮টা ৪০ মিনিটে ভৈরবে পৌঁছে ট্রেনটি দাঁড়ালে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, নিহত আব্দুল বারিক কানে কম শুনতেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।