ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মেলান্দহে শালা-শালি-দুলাভাই আনন্দ মেলা

দেলোয়ার হোসেন, জামালপুর
প্রকাশিত: ১৫:২৭, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
মেলান্দহে শালা-শালি-দুলাভাই আনন্দ মেলা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পল্লীমেলা বৈশাখী মেলা, কৃষি মেলা, বউ মেলা, জামাই মেলা ও শ্বশুর মেলা। এবার জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ৮ দিনব্যাপী শালা-শালি ও দুলাভাই আনন্দ মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের আদবাড়িয়া গ্রামে এ মেলার উদ্বোধন করেন মেলান্দহ উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার কামরুজ্জামান। এ মেলা চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

মেলা উপলক্ষে দোকানদাররা পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বসেছে নানা ধরনের শিশুর খেলা, নাগরদোলা, চড়কিসহ বিনোদনমূলক সরঞ্জাম। এছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের দোকান রয়েছে। 

Advertisement

মেলায় আগত দর্শক বিল্লাল হোসেন বলেন, মেলা মানেই আনন্দ-বিনোদন। এ বিনোদনের জন্য প্রয়োজন নিরাপত্তাসহ নানা ধরনের চাহিদা। তাছাড়া মেলায় আহতরা সংসারের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটার সুযোগও সৃষ্টি হয়।

মাহমুদপুরের জামাই মোবারক হোসেন জানান, মেলা উপলক্ষে তার শালা-শালি বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন। তিনি বিয়ে করেছেন ইসলামপুর উপজেলার সাপধরি চরে। কিন্তু সেখানে কোনো প্রকার বিনোদন না থাকায় দুলাভাই মোবারক আলীর বাড়িতে এসেছেন মেলার বিনোদন নিতে।

একই গ্রামের শাহীন আলম বলেন, এলাকায় আগের মতো আর কোনো বিনোদন নেই। ডিজিটাল যুগে সবার হাতেহাতে মোবাইল থাকায় আগের মতো আর মেলার আয়োজন করার মতো উদ্যোক্তাও কমে গেছে। ফলে আগামী প্রজন্ম গ্রামের আনন্দ-বিনোদন ভুলে যেতে বসেছে। শালা-শালি দুলাভাই আনন্দ মেলা কিছুটা হলেও বিনোদন পাবে।

মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রিফার সরকার বলেন, জামালপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নামে মেলার আয়োজন করা হয়। প্রকৃতপক্ষে মেলায় আগতরা যেন বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারে সেজন্যই শালা-শালি ও দুলাভাই আনন্দ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

আনন্দ মেলা কমিটির সভাপতি মজনু মেম্বার বলেন, শালা-শালি ও দুলাভাই আনন্দ মেলায় এলাকার জামাইরা শ্বশুর বাড়ি আসবেন। তারা শালা-শালিকে নিয়ে আনন্দ মেলায় ঘুরে নানা ধরনের কেনাকাটা করে শ্বশুরবাড়ির সবার সঙ্গে আনন্দ উপভোগের কারণেই এ মেলার আয়োজন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!