বুধবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন উর্মি আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় একই আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। মামলার অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- টংগিবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামের সাঈদ শেখের ছেলে ইলিয়াস হোসেন এবং লৌহজং উপজেলার পয়সা গ্রামের মীর হোসেনের ছেলে রকিবুল ইসলাম।
.png)
জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ মে শাহাবুদ্দিন প্রতিদিনের মতো সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। যথারীতি সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসার কথা থাকলেও তিনি ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পাওয়ায় তার বাবা আবুল শেখ ২৫ মে টংগিবাড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরবর্তীতে ২৭ মে নিহতের আবুল শেখ কাছে খবর আসে একই উপজেলার আড়িয়ল ইউনিয়নের কুড়মিরা গ্রামের জঙ্গলে একটি মরদেহ পড়ে আছে। পরে পরিবারের লোকজন গিয়ে শাহাবুদ্দিনের লাশ শনাক্ত করেন। ঐদিন রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের নামে টংগিবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এ ঘটনায় সঙ্গে জড়ির সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হলেন- টংগিবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামের সাঈদ শেখের ছেলে ইলিয়াস হোসেন, লৌহজং উপজেলার পয়সা গ্রামের মীর হোসেনের ছেলে রকিবুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জের আলীগঞ্জ এলাকার মতিন শেখের ছেলে কবির হোসেন এবং মুন্সীগঞ্জ সদরের মুক্তারপুর এলাকার ইব্রাহিম মাদবরের ছেলে রাকিব মাদবর। তাদের মধ্যে কবির হোসেন ও রাকিব মাদবরকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম পল্টু।