রোববার রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মুক্তা ধর। তিনি জানান, জেলার ৯টি থানা থেকে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত জিডি ও অভিযোগ সংগ্রহ করে খাগড়াছড়ি সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ইউনিট তথ্য প্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও ব্যবহার করে মাত্র সাতদিনের প্রচেষ্টায় ৩৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার বিকেলে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরো জানান, এরই মধ্যে খাগড়াছড়ির প্রতিটি থানা ও ইউনিটকে এই বিষয়ে জোর তাগিদ প্রদান করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি সাইবার ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ইউনিট সার্বক্ষণিক সব প্রকার সাইবার সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। এছাড়া হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারের এই কার্যক্রম ও তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
.png)