শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস।
লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস জানান, গত ৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নগরীর কোট স্টেশন এলাকায় এক নারী তার মোবাইল হারিয়ে ফেলেন। এ সময় মোবাইল খুঁজে দেওয়ার নামে ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে ভদ্রা এলাকায় যান আলমগীর রয়েল। সেখানে একটি বাড়িতে আসামি আলমগীর ও তার দুই স্ত্রী এবং অন্য আরেক নারীর সহায়তায় ভুক্তভোগী নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং ভিডিও ধারণ করেন। এরপর ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীর কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
.png)
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে র্যাব। এ সময় মূল আসামি আলমগীর ছাড়াও তার দুই স্ত্রী হেলেনা, দিলারা এবং শ্যালিকা মমতাজকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, আসামি আলমগীর এবং তার স্ত্রীরা প্রতারক ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের অন্যতম সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।