ঢাকা,  শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

শিশু লামিয়াকে হত্যা করে হেলমেট পরা ২ যুবক, পালিয়ে রক্ষা পায়

ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:৪৬, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
শিশু লামিয়াকে হত্যা করে হেলমেট পরা ২ যুবক, পালিয়ে রক্ষা পায়
শিশু লামিয়া

মঙ্গলবার তখন দুপুর। ওই সময় হেলমেট পরা দুই যুবক নুরুন্নবীর ভাড়া বাসায় এসে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের লোক দাবি করে দরজা খুলতে বলে। ওই সময় শিশুরা দরজা খুলে দিলে দুই যুবক ঘরের ভেতরে ঢুকে লামিয়াকে টেপ দিয়ে হাত, মুখ ও পা বেঁধে হত্যা করেন। এ সময় বড় বোন ১২ বছরের ফাতেমা আক্তার নিহা পালিয়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহত শিশু লামিয়ার বড় বোন। 

ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীর পরশুরামের পৌর এলাকার পশ্চিম বাঁশপদুয়ায় এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত লামিয়া নুরুন্নবীর মেয়ে। তারা দুই বোন স্থানীয় একটি নূরানি মাদরাসায় পড়ালেখা করে। ঘটনার সময় নুরুন্নবী তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ফেনী শহরে ছিলেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে হেলমেট পরা দুই যুবক নুরুন্নবীর ভাড়া বাসায় এসে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের লোক দাবি করে দরজা খুলতে বলে। ওই সময় শিশুরা দরজা খুলে দিলে দুই যুবক ঘরের ভেতরে ঢুকে সাত বছরের লামিয়াকে টেপ দিয়ে হাত, মুখ ও পা বেঁধে হত্যা করে। এ সময় বড় বোন ১২ বছরের ফাতেমা আক্তার নিহা  পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি ঘরে আশ্রয় নেয়। ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশ আরো জানায়, নুরুন্নবী পরশুরামের পৌর এলাকার কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা। বেশ কিছুদিন ধরে বাঁশপদুয়ার পশ্চিমপাড়া এয়ার আহাম্মদের বাসায় দ্বিতীয় স্ত্রী রেহানাকে নিয়ে থাকতেন।

নুরুন্নবীর সাবেক স্ত্রী আয়েশা আক্তার অভিযোগ করেন, নুরুন্নবীর দ্বিতীয় স্ত্রীর লোকজন পরিকল্পিতভাবে তার (আয়েশার) সন্তান লামিয়াকে হত্যা করেছে। আয়েশা আক্তার এ ঘটনায় নুরুন্নবীর দ্বিতীয় স্ত্রীকে দোষারোপ করেন।

পরশুরাম থানার ওসি মো. শাহাদাত হোসেন খান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!