সোমবার ভোরে নোয়াখালী পৌরসভার বসুন্ধরা কলোনী কচি ডাক্তারের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা মেহেদি হাসান শুভ ও তার স্ত্রী তামান্না ইসলাম। স্বামী-স্ত্রীর ছাড়াও সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই-বোন ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খালাতো ভাই-বোন প্রেম করে গত এক বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর মাইজদীর বসুন্ধরা কলোনীতে শাশুড়ির বাসায় থাকতেন শুভ। ওই বাসায় নিহত তামান্নার মা ও ভাই থাকতেন। সোমবার সকালে তাদের কক্ষ থেকে শুভ ও তামান্নার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন তামান্নার ভাই হোসেন আহমেদ নোমান। খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানা-পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্বামী মেহেদি হাসান তার স্ত্রী তামান্নাকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর সেই ঘরেই ফ্যানের সঙ্গে কাপড় বেঁধে গলায় ফাঁস নেন মেহেদি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সুধারাম থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, মরদেহ দুইটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার মূল কারণ জানতে চেষ্টা করছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা স্বামী-স্ত্রী হলেও সম্পর্কে খালাতো ভাই-বোন ছিলেন। প্রথমে স্বামী তার স্ত্রীর গলা কেটে হত্যা করেন। ফ্যানের সঙ্গে কাপড় বেঁধে গলায় ফাঁস নেন মেহেদি। তদন্ত চলছে।