গ্রেফতারকৃত সোহাগ (২৪) উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ দোয়ালিয়া গ্রামের বদিউর জামানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক।
রোববার বিকেলে বেগমগঞ্জ থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয়া সেন।
.png)
গত শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাদধসিংহ গ্রামের গাজী আলাউদ্দিনের ঘরের পেছনে সুপারি বাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মামুনুর রশীদ ওরফে মামুন (১৮) উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাকীপুর গ্রামের দেওয়ান বাড়ির কবির হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, ভিকটিম নিখোঁজের পর থেকে আত্মগোপন চলে যান সোহাগ। পরবর্তীতে জেলার সুবর্ণচর উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এক বছর আগে সোহাগ অটোরিকশা চালানোর সময় ভিকটিম আরেক অটোচালক মামুনের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর থেকে তারা একসঙ্গে বিভিন্ন সময় গাঁজাসেবন করতেন।
ঘটনার দিন (২২ জানুয়ারি) এশা নামাজের পর সোহাগ ভিকটিমকে মোবাইলে কল দিয়ে গাঁজা সেবনের বিষয়ে জানান। কিছুক্ষণ পরে ভিকটিম ফোন করে গাঁজা কেনার কথা জানিয়ে সোহাগকে সিগারেট নিয়ে ঐ সুপারি বাগানে আসার জন্য বলেন।
পুলিশ আরো জানায়, আসামি ভিকটিমের কথা অনুযায়ী সিগারেট নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। পরবর্তীতে আসামি ও ভিকটিম দু’জন মিলে দুই স্টিক গাঁজাসেবন করেন। একপর্যায়ে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। হাতাহাতির একপর্যায়ে সোহাগ ভাঙা ইটের টুকরা দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পুলিশ পরবর্তীতে আসামির দেওয়া ভাষ্যমতে, ঘটনাস্থলের পাশের পুকুর থেকে ভাঙা ইটের টুকরা ও ঘটনাস্থলের পাশের বাগান থেকে ভিকটিমের জুতা উদ্ধার করে। আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।