ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অস্বাভাবিক শব্দে ভেঙে যায় ঘুম: মায়ের ঘরে গিয়ে আঁতকে ওঠেন সাগর

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:৩৮, ২১ জানুয়ারি ২০২৪
অস্বাভাবিক শব্দে ভেঙে যায় ঘুম: মায়ের ঘরে গিয়ে আঁতকে ওঠেন সাগর
ফাইল ফটো

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় লতা রানী নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার ভোরে উপজেলার পৌর এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কবিরের ভিটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ বাবাকে দায়ী করছেন ঘটনায় নিহতের দুই ছেলে। নিহত লতা রানী উপজেলার কবিরের ভিটা গ্রামের সত্য চন্দ্র শীলের স্ত্রী। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগেশ্বরী থানার ওসি রূপ কুমার সরকার। 

Advertisement

২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও প্রতিবেশী শামসুল হক নিহতের ছেলেদের বরাত দিয়ে জানান, লতা রানী তার স্বামীসহ রাতে একই ঘরে ঘুমাতে যান। রাত ৩টার দিকে হঠাৎ অস্বাভাবিক শব্দ শুনে পাশের কক্ষে থাকা তার ছোট ছেলে সাগর জেগে ওঠেন। তিনি ঘরে গিয়ে দেখতে পান, তার মায়ের গলাকাটা লাশ বিছানায় পড়ে আছে। পাশে তার বাবা সত্য চন্দ্র শীল দাঁড়িয়ে আছেন। 

তিনি আরো বলেন, মাকে হত্যা করা নিয়ে বাবা-ছেলের বাগবিতণ্ডায় পরিবার ও প্রতিবেশী লোকজন জেগে ওঠে। তবে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে ভিড় করলে পালিয়ে যান সত্য চন্দ্র। 

শামসুল হক বলেন, আমি খবর পেয়ে রাতেই ওই বাড়িতে যাই। গিয়ে দেখি, নিহতের বড় ছেলে সোহাগ মাকে হত্যার জন্য তার বাবাকে দোষারোপ করছেন। তবে তার বাবা দায় স্বীকার করছিলেন না। পরে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। 

ওসি রূপ কুমার সরকার বলেন, গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডে তার স্বামী জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে- ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত গৃহবধূর ঘরের বিছানার নিচ থেকে রক্তমাখা কুড়াল উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী চন্দ্র শীল পলাতক রয়েছেন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!