এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক মো. মহিউদ্দীন আহমেদ। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে তারা গোপন সংবাদ পান যে সাবরাংয়ের বিআরএম-৪ হতে আনুমানিক ০১ কি. মি. উত্তর দিকে ও বিওপি হতে ৪০০ গজ দক্ষিণে ডাকাতের কাঠি নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মায়ানমার হতে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে।
তথ্য পেয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর ও সাবরাং বিওপি’র দুটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহল দল ঐ এলাকায় যায়। এরপর তারা কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে বেড়িবাঁধের আঁড় দিয়ে কৌশলগত অবস্থান নেন। বিজিবি টহল দল তিনটি পোটলা হাতে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাফ নদী পার হয়ে নিয়ে সীমান্তের দিকে দেখতে পারে। তারা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বেড়িবাঁধ অতিক্রম করে ডাকাতের কাঠি এলাকার দিকে আসছিল।
.png)
গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ জানায়। বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই হাতে থাকা পোটলাগুলো ফেলে দিয়ে তারা কেওড়া বাগানের ভিতরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহল দল চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া তিনটি পোটলার ভিতর হতে দেড় লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
মহিউদ্দীন আহমেদ জানান, এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে চোরাকারবারীদের সনাক্ত করার জন্য ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।