কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউপির গজালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুল ছাত্রী মাচারতারা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে।
জানা যায়, গজালিয়া গ্রামের হরেন্দ্রনাথ হালদারের ছেলে রনজিৎ হালদার স্কুলে যাওয়া আসার পথে ওই ছাত্রীকে প্রতিনিয়ত ইভটিজিং করে আসছিল। এরপর ঐ ছাত্রী ভয়ে স্কুলে যাওয়া আসা বন্ধ করে দেয়।
.png)
ঐ ছাত্রী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সর্ম্পকে কাকা হওয়া সত্বেও বৃদ্ধ রনজিৎ হালদার আমাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে। গত ২ মাস ধরে তিনি আমাকে বিয়ে করে ভারতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন এতে আমি সায় না দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্কুলে যাওয়া আসার পথে পথরোধ করে। তার কথায় রাজি না হলে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে আমার পরিবাকে কোটালীপাড়া থেকে তাড়িয়ে দেবেন এমনকি আমার ছোট ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ভয়ে গত ১ সপ্তাহ ধরে স্কুলে আসা বন্ধ করে দেই। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান শিক্ষক অভয় দেওয়ায় স্কুলে আসি।
ছাত্রীর বাবা বলেন, রনজিৎ হালদার দুইমাস ধরে প্রতিনিয়ত স্কুলে যাওয়া আসার পথে আমার মেয়েকে ইভটিজিং করে আসছিল। একটা সময় সে ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানালে তার প্রতিশ্রুতিতে আমার মেয়ে স্কুলে আসা শুরু করেছে। তবে আতংকে রয়েছি।
রনজিৎ হালদারের পৈত্রিক বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে অভিযুক্তের ভাই সঞ্জয় হালদার বলেন, ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ উঠেছিল। সেটি পারিবারিকভাবে মীমাংসা হয়ে গেছে।
প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র হালদার বলেন, ঘটনাটি জানার পর ওই ছাত্রীর বাবাকে দিয়ে ইউএনওর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করিয়েছি। আমিও বিষয়টি নিয়ে ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলেছি।
ইউএনও আজিম উদ্দিন বলেন, স্কুলছাত্রীর বাবা একটি অভিযোগ নিয়ে আমার কাছে এসেছিলেন। বিষয়টি কোটালীপাড়া থানার ওসিকে তদন্ত করে দেখতে বলেছি। তদন্তে যদি রনজিৎ হালদার দোষী হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।