সোমবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির উপ-পরিচালক আ. কাদের সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গোপালগঞ্জ জেলা নিম্ন জলাভূমি তথা বিল বেষ্টিত একটি জেলা। এ জেলার প্রধান ফসল বোরো ধান। উৎপাদিত বোরো ধান দিয়েই অধিকাংশ কৃষকের সারা বছরের খাবারের যোগান হয়। তাই কৃষক সর্বোচ্চ চেষ্টা করে বোরো ধানের বাম্পার ফলন ফলিয়ে আসছেন। আর এ কারণেই গোপালগঞ্জ জেলা খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
.png)
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু বলেন, গোপালগঞ্জে ৮১ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ হাজার ৩০৮ হেক্টর জমিতে বোরো হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হবে। ২১ হাজার ৬৭ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের আবাদ হচ্ছে। আর ৫ হাজার হেক্টরে স্থানীয় বোরা ধানের আবাদ হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি হাইব্রিড বোরো ধানের আবাদ হয়। এখানে প্রতি হেক্টরে হাইব্রিড বোরো ধান সাড়ে ৮ টন থেকে সাড়ে ১০ টন পর্যন্ত ফলন হয়। এ কারণে গোপালগঞ্জ জেলায় ধানের ফলন অন্যান্য জেলার তুলনায় বেশি হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কোটালীপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায় বলেন, গোপালগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলায় ধানের উৎপাদন ও আবাদ বৃদ্ধির জন্য সরকার ৭০ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে প্রণোদনার বীজ ও সার দিয়েছে।