গ্রেফতারকৃত লিটন গাজী খুলনার কয়রা উপজেলার চরধোপাখালী গ্রামের জিএম শরিফুল গাজীর ছেলে।
নিহত হামিদা বেগম খুলনার দাকোপ উপজেলার দোপাধী রামনগর এলাকার বারেক গাজীর মেয়ে।
.png)
শনিবার দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে, শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের ফকিরহাট উপজেলার শুকদাড়া নামক স্থান থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর থেকেই হত্যার রহস্য উদঘাটন ও নিহতের পরিচয় জানতে কাজ শুরু করে পিবিআই। রাতেই পিবিআই আলামতসহ হত্যাকারী লিটন গাজীকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নিহত হামিদার মোবাইলসহ আলামত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় লিটন গাজীকে আসামি করে ফকিরহাট থানায় মামলা করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লিটনকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাগেরহাট পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বলেন, আড়াই বছর আগে স্বামী পরিত্যক্তা হামিদা বেগমের সঙ্গে রাজমিস্ত্রি লিটন গাজীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন না যেতেই হামিদা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি মেনে নেতে পারছিলেন না লিটন গাজী। পরে ৪ জানুয়ারি কৌশলে হামিদাকে ডেকে এনে শুকদাড়া এলাকার একটি বাগানে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান। রাতেই আলামতসহ লিটন গাজীকে গ্রেফতার করা হয়।