শুক্রবার সকালে বরুড়া উপজেলার ভাউকসার ইউনিয়নের সমেষপুর মারকাজুল তালিমুওয়াজ তারবিয়াহ কওমি মাদরাসার স্টোর রুম থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশুটির নাম সিয়াম। সে মাদরাসাটির চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল ও মাদরাসার আবাসিক ভবনেই থাকত।
.png)
জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে সিয়ামকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে মাদরাসার কর্তৃপক্ষ তার বাবাকে মুঠোফোনে জানায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খোঁজাখুঁজির জন্য মাইকিং করা হয়। পরে বরুড়া থানায়ও অবগত করা হয়। নিখোঁজের ৩ দিন পর শুক্রবার সকালে মাদরাসার স্টোর রুম থেকে দুর্গন্ধ বের হলে পরে সেখানের মেঝেতে শিশু সিয়ামের লাশ পাওয়া যায়।
শিশুটির মামা হেদায়েতুল্লাহ জানান, মাদরাসা থেকে জানানো হয়, সিয়ামকে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর পরিবারের সবাই সিয়ামকে খুঁজতে থাকেন। গত ৩ মাস আগে সিয়ামের খালার সঙ্গে ওই মাদরাসার বাবুর্চি জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এর জেরেই সিয়ামকে তিনি মেরে চলে যান। সিয়াম যেদিন থেকে নিখোঁজ ছিলেন ঠিক সেদিন থেকে বাবুর্চি জাহাঙ্গীর মাদরাসা থেকে উধাও হয়ে যান। তিনি সিয়ামকে হত্যা করেছেন। আমরা তার ফাঁসি চাই।
বরুড়া থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শিশুটি যে মাদরাসায় পড়ত ওই মাদরাসার বাবুর্চি জাহাঙ্গীরই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে সন্দেহ হচ্ছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের টিম কাজ করছে। গ্রেফতারের পর হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন হবে।