প্রত্যেক কার্ডধারী ২ কেজি করে মসুর ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল ও ৫ কেজি চাল পাচ্ছেন। মসুর ডাল ৬০ টাকা কেজি, সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটার ও চাল ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়।
টিসিবির পণ্য হাতে পেয়ে রহিমা খাতুন জানান, বর্তমান বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অনেক বেশি। এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে স্বল্পমূল্যে তেল, ডাল ও চাল পেয়ে অনেক খুশি।
.png)
তিনি আরো জানান, সরকার সব সময় যেনো আরো কিছু নিত্য পণ্য যোগ করে স্বল্পমূল্যে আমাদের প্রদান করে, সরকারের কাছে এই দাবি জানাই।
শাহআলম ও তোফায়েল টিসিবির পণ্য হাতে পেয়ে জানান, সরকার আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে স্বল্পমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে অনেক উপকার করেছে। টিসিবিতে আরো কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস দিলে আমাদের উপকার হতো।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোশারফ হোসাইন বলেন, ডিসেম্বর মাসে সদর উপজেলার নিম্নআয় ও সুবিধাবঞ্চিত কার্ডধারী মানুষের মাঝে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। পৌরসভায় ৪ হাজার ৯৫২ জনসহ সদর উপজেলায় ১৬ হাজার ৬১৮ জন নিম্নআয়ের কার্ডধারী মানুষের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির এ পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। আজ পৌরসভার সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর, কালভৈরব, কারখানাঘাট আনন্দবাজার ও শেরপুর ঈদগাহ মাঠে চারটি স্থানে এই টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে এই কার্যক্রমটি খুবই জনবান্ধব। নিম্নআয়ের মানুষরা যেনো সঠিকভাবে এই পণ্য পায়, তার জন্য জোরদারভাবে তদারকি করা হচ্ছে। কোনো ডিলার দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আজ ২ কেজি তেল, ২ কেজি ডাল, ৫ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে।
এ সময় ট্যাগ অফিসার মো. ইয়াসিন উপস্থিত ছিলেন।