স্বর্ণঘোষ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, আজ সকালে হনুমানটি স্বর্ণঘোষ দিঘিরপাড় এলাকায় অবস্থান করছিল। সেখান থেকে পাশের এলাকা বড়াইলের দিকে ছুটে যেতে দেখেছি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কবির হোসেন বলেন, শনিবার হনুমানটিকে দিঘিরপাড় এলাকায় খুঁটির ওপরে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখি। এ সময় অনেকেই হনুমানটিকে কলা, পাউরুটি, বিস্কুট খেতে দেয়। প্রাণীটি হঠাৎ লোকালয়ে চলে আসায় উৎসুক জনতা দেখতে ভিড় করছেন। আবার তাদের মোবাইলে হনুমানটির ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রেখেছেন।
.png)
শরীয়তপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, খাবারের অভাবেই হনুমানটি লোকালয় চলে এসেছে। হনুমানটিকে বিরক্ত না করাই উত্তম। তবে আমার পরামর্শ থাকবে হনুমানটির থেকে যেন সবাই দূরত্ব বাজায় রাখে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ খুলনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নির্মল কুমার পাল বলেন, হনুমানটি হয়তো দলছুট হয়ে লোকালয়ে চলে এসেছে। অনেকেই হনুমানটিকে বিভিন্ন ধরনের খাবার দেয়। তাই তারা লোকালয় ছাড়তে চায় না। খাবার না দিলে কয়েক দিন পরে এমনিতেই চলে যাবে। যেহেতু বাংলাদেশের অনেক জায়গাতেই হনুমান ও বানরের বসবাস। তবে ধারণা করা যায়, খুলনা বা মাদারীপুর থেকে শরীয়তপুরে ঢুকতে পারে হনুমানটি।