শুক্রবার সকালে উপজেলার সাতনল কালভার্টের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত জাহাঙ্গীর আলম একই উপজেলার পাড়িয়ালী গ্রামের নুরুল হক দফাদারের ছেলে। ঢাকা কলেজে পড়ালেখার পাশাপাশি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন তিনি।
জাহাঙ্গীর আলমের বাবা নুরুল হক জানান, জাহাঙ্গীর ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার জন্য বৃহস্পতিবার রাতে রওনা হয়। শুক্রবার সকালে উপজেলার মণিরামপুরের সাতনল কালভার্টের পাশে স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পেয়ে মুঠোফোনে জানান। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে জাহাঙ্গীর বলে নিশ্চিত হন তিনি।
.png)
এ বিষয়ে মণিরামপুর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, এটা হত্যা কিনা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে এটা হত্যা কিনা জানা যাবে।