বুধবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং সি-ব্লকের ওয়াপদার পুরোনো গেটের সামনের ভাগাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রেখা খাতুন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখোই গ্রামের আব্দুর রহিম মেয়ে।
জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় কয়েকজন হাঁটাহাঁটির সময় রশি দিয়ে বাধা অবস্থায় একটি কম্বল দেখতে পান। সন্দেহ হলে তারা ৯৯৯-এ কল দেন। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কম্বল খুলে অজ্ঞাত এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখোই গ্রামের আব্দুর রহিম ও তার স্ত্রী মর্গে গিয়ে তাদের মেয়ে রেখা খাতুনকে শনাক্ত করেন।
.png)
নিহত রেখা খাতুনের বাবা আব্দুর রহিম জানান, তার মেয়ের সঙ্গে খুলনার হাফিজুর নামে এক ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০ দিন আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। হাফিজুর মাগুরায় একটি ঔষধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করে। রেখা বিয়ের কয়েকদিন পর থেকে বাবার বাড়িতেই ছিল। বুধবার সকাল ৯টার দিকে সে কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও বাড়ি ফেরেনি। পরে হাউজিং-এ একটি লাশ পাওয়ার কথা শুনে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে যায়। পরে দেখেন রেখার লাশ পড়ে আছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সোহেল রানা জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে রশি খুলে কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় ঐ তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে ঐ তরুণীর মা-বাবা এসে লাশ শনাক্ত করেন।
ওসি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- ঐ তরুণীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে। পুলিশ এরিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।