এর আগে, শনিবার রাত ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামে স্কুল পরিচালনার কমিটির নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষরা জামাল মোল্লাকে পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় জামাল মোল্লাসহ আরো তিনজন আহত হন। তাদেরকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহত জামাল মোল্লা একই গ্রামের আজগর মোল্লার ছেলে।
.png)
হাসপাতালে চিকিৎসারত জামাল মোল্লার ভাই জালাল মোল্লা বলেন, রোববার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামের দিঘলকান্দি নিম্ন মাধ্যদিক বিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন ধার্য ছিলো। এ নির্বাচনে একই এলাকার মোল্লা এবং সর্দার গোষ্ঠী আলাদাভাবে প্যানেল ঘোষণা করেন। শনিবার রাতে দিঘলকান্দি গ্রামের উজ্জত মোড়ে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় সর্দার গোষ্ঠীর লোকজন মোল্লা গোষ্ঠীর জামাল মোল্লাসহ আরো তিনজনকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরের দিকে জামাল মোল্লার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় একটি স্কুলের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিঘলকান্দি গ্রামে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। সকালে একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখনো কেউ এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেনি।