বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জলঢাকা থানার ওসি মুক্তারুল আলম।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে জলঢাকা বাজারের অগ্রণী ব্যাংকের সামনে একটি ইজিবাইক ভাড়া করেন চোর চক্রের সদস্যরা। পরে চালককে জলঢাকা-রংপুর সড়কের ক্যানেলে পাশে একটি হোটেলে ভাত খাওয়ানোর পর চালককে অজ্ঞান করে ইজিবাইকটি নিয়ে পালিয়ে যান তারা। পরে ওই চালক জলঢাকা থানায় মামলা করেন। মামলা রুজুর পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত টানা ৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য পায়েলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে পায়েলের তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় চুরি করা তিনটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
.png)
ওসি মুক্তারুল আলম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ইজিবাইক চুরির কথা স্বীকার করেছেন। তারা সিআইডি কর্মকর্তার পরিচয় ধারণ এবং চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে ইজিবাইকের চালকদের অজ্ঞান করতেন। এভাবে তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ইজিবাইক ও অটোরিকশা চুরি করতেন। তারা প্রায় ২০ থেকে ২৫টি ইজিবাইক ও অটোরিকশা চুরি করেন। পায়েলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানার ১৫টি চুরির মামলা রয়েছে। দলের অন্য সদস্যদের গ্রেফতার ও ইজিবাইক উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রয়েছে।