বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘিওর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম। এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে শিবালয় উপজেলার বোয়ালী এলাকায় গাছের ডালের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
মৃত ইমান আলী মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পয়লা ইউনিয়নের শাইলকাই গ্রামের হারান শেখের ছেলে। ঘিওর বাজারের পঞ্চরাস্তা মোড় এলাকায় হার্ডওয়্যারের ব্যবসা করতেন তিনি।
.png)
ইমান আলী ছেলে মিলন হোসেন জানান, তার বাবা গত রোববার সকালে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। কোথাও খুঁজে না পেয়ে ঘিওর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশের মাধ্যমে খবর পান তার বাবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। তার অভিযোগ- পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর তার লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
তিনি অভিযোগ করে আরো জানান, তার বড় ভাই কামাল হোসেনের কাছে গ্রামের রিপন প্রধান নামে একজন দেড় লাখ টাকা পেতেন। সুদে আনা ঐ টাকার জন্য তার বাবাকে প্রায়ই চাপ দিতেন রিপন প্রধান। তাকে দেখে নেয়ার হুমকিও দেন তিনি। গত ৩ নভেম্বর রাত সাড়ে ৭টার দিকে রিপনের কথা বলে অজ্ঞাত তিন যুবক তাকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যান। ঐদিন তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরের দিন রাতে দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর এলাকায় হাত পা বাঁধা অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় রিপনসহ অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে ঘিওর থানায় মামলা করা হয়। এরপর থেকে আসামিরা নানাভাবে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
ঘিওর থানার ওসি আমিনুর ইসলাম জানান, ইমান আলীর অপহরণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এছাড়া তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়েও থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে। অপহরণ মামলার আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।