বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে লাইনচ্যুত হওয়া তেলবাহী ট্রেনটি অপসারণ করার পর এ লাইন সচল হয়। এর আগে, বুধবার (২২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেলবাহী ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়।
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে পুলিশের এসআই কামাল উদ্দিন জানান, আখাউড়া থেকে একটি তেলবাহী ট্রেন সিলেটে যাওয়ার পথে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর রেলব্রিজের পাশে দুইটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ফলে সিলেটের সঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রামের রেল চলাচল বন্ধ হয়।
.png)
তিনি জানান, ট্রেনটি রাত ৮টা ১০ মিনিটে লস্করপুর এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই একটি বিকট শব্দ হয়। এ সময় ট্রেন চালক হার্ডব্রেক করেন। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেনের ৫ ও ১৪ নম্বর বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এতে রেললাইনের একটি ব্রিজ ভেঙে পড়ে। এতে চারটি আন্তনগর রেল বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।
সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস কুলাউড়া রেল স্টেশনে, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস শ্রীমঙ্গল রেল স্টেশনে, সিলেটে থেকে ছেড়ে আসা কালনী এক্সপ্রেস মাইজগাও রেল স্টেশনে এবং চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা উদয়ন এক্সপ্রের শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনে আটকা পড়ে। ট্রেনগুলো যথাসময়ে পৌঁছতে না পারায় পাহাড়ীকা, জয়ন্তীকা, উপবন, কালনী ও পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল হবে। ২৪ ঘণ্টার মাঝে সিডিউল ঠিক হয়ে যাবে।
তিনি আরো জানান, আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে আসে। তবে ব্রিজ ভাঙা থাকায় উদ্ধারকর্মীরা ট্রেন থেকে নেমে রাত ২টা ২০ মিনিট থেকে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। তেলবাহী ট্রেনে ১৪টি বগি ছিল। সকাল ৮টা ২০ মিনিটে শ্রীমঙ্গলে আটকে পড়া চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ও শায়েস্তাঞ্জে আটকে পড়া সিলেটগামী উদয়ন এক্সপ্রেস চালুর মধ্য দিয়ে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।