মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি বলেন, বাহাদুর মাঝি ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে র্যাবের হাতে গ্রেফতার হন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। রায়ের সময় তিনি আদালতের উপস্থিত ছিলেন। বাহাদুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের পূর্ব চররমনী মোহন গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে।
আদালত ও এজাহার সূত্র জানায়, ৩ জানুয়ারি ভোর রাতে র্যাব অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের মধ্য চররমনী মোহন গ্রামে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনির হোসেন সজিবের বাড়ি থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের ৮৫ হাজার ২০ ইয়াবা উদ্ধার করে। এ সময় মনির, গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. ইব্রাহিম ও আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন পাঁচজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার (ডিএডি) মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বাহাদুর মাঝি ও আব্দুর রহমান নামে দুইজন পলাতক ছিলেন। পরে ৯ জানুয়ারি রাতে একই এলাকা থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে বাহাদুরকে গ্রেফতার করে র্যাব।
টেকনাফ সীমান্ত থেকে সমুদ্রপথে মাছ ধরার ট্রলারযোগে ইয়াবাগুলো নিয়ে আসেন তিনি। এ ঘটনায় পরদিন র্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার (ডিএডি) মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে পৃথক একটি এজাহার দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
উল্লেখ্য, ইয়াবাকাণ্ডে প্রথম মামলায় চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মনির, ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. ইব্রাহিম ও আমির হোসেন কারাগারে রয়েছেন।