সোমবার উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি অবিস্ফোরিত ককটেল, ১০টি গাবের লাঠি উদ্ধার ও ১৯ জন আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, মো. রিয়াজ (২৮), আরিফ হোসেন হৃদয় (১৯), জোবায়ের হোসেন (১৯), মো. রায়হান (১৯), ফিরোজ আলম (২০), মো. আরিফ (২০), মো. রুবেল ওরফে মানিক (২৬), ইমাম হোসেন (২৬), মো. আশিক ওরফে ওমর ফারুক (১৯), রাশেদ হোসেন (১৯), মো. রয়েল (২৫), মো. রাসেল (২০), আরমান হোসেন (১৯), মো. রমজান (১৯), মো. রাসেল (১৯), মো. আরিফ (১৯), নিহাদ (১৯), মো. দেলোয়ার হোসেন (২০) ও মো. ইউসুফ (২০)।
.png)
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, বেগমগঞ্জ থানার এসআই আবু তাহের, আলাউদ্দিন ও নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল সায়েদুর রহমান, শরীফুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন। আহত পুলিশ সদস্যদের বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেলা সোয়া ১১টার দিকে যুবদলের ব্যানারে টিটু বাহিনীর প্রধান টিটুর নেতৃত্বে তার অনুসারী ২০০-৩০০ জন অনুসারী উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজার লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে মিছিল নিয়ে তারা সড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এতে তারা বিক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ও ককটেল নিক্ষেপ করলে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ তাদের নিবৃত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। একপর্যায়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে ৯১ রাউন্ড শর্টগানের রাবার কার্তুজ ও ফাঁকা গুলি চালিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ১৯ জনকে আটক করে পুলিশ।
বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, পিকেটারদের হামলায় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি অবিস্ফোরিত ককটেল, ১০টি গাবের লাঠি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে। মঙ্গলবার সকালে ওই মামলায় আটককৃতদের গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।