শুক্রবার সকাল থেকেই পর্যটকদের সৈকতে গোসল ও আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠতে দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা মাইকিং করলেও তারা সৈকতে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠে। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাতে থাকে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে চার থেকে পাঁচ ফুট। আবহাওয়া অধিদফতর পায়রা সমুদ্র বন্দরে সাত নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করে।
ঝোড়ো বাতাস বৃদ্ধি পাওয়ায় সমুদ্র তীরে এসে আঁচড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। এতে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে থাকা ভাসমান দোকান, ছাতা, বেঞ্চ ভেসে যেতে দেখা যায়। গভীর সমুদ্রে থাকা হাজারো মাছধরা ট্রলার আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে এসে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।
.png)
পর্যটক আজিজুর রহমান সৈকতে বেড়াতে এসেছেন জামালপুর থেকে। তিনি বলেন, পরিবারের সঙ্গে গত পরশুদিন কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে। এজন্য উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ দেখতে সৈকতে নেমেছি।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের ইনচার্জ হাসনাইন পারভেজ জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্র বেশ উত্তাল রয়েছে। এজন্য মাইকিং করে পর্যটকদের সৈকতের নেমে গোসল করতে নিষেধ করা হচ্ছে। এরপরও সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে কিছু সংখ্যক পর্যটক আনন্দ উপভোগ করছেন। কেউ যাতে গভীর সমুদ্রে না যায় সে বিষয়ে নজরদারি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।