এদিকে, আমন আবাদের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। অনেক স্থানের আমন আবাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। ধানে চিটা হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। শীতকালীন সবজি চাষিরাও পড়েছেন বিপাকে। এ বৃষ্টিতে শীতকালীন শাক-সবজি নষ্ট হবার আশঙ্কা চাষিদের।
অপরদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিধিলা মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন। জেলায় ৪২৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৫৯টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩৭টি মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিসের ৩টি উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত রয়েছে। নগদ ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা, ৩৫০ মেট্রিক টন ত্রাণের চাল বিতরণের জন্য মজুত আছে। পাশাপাশি শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও স্বেচ্ছাসেবক টিমও পস্তুত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে নদী তীরের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
.png)
জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ বাংলাদেশের উপকূলের ২৬৫ কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বরে বিপৎসংকেত জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) (ক্রমিক নম্বর-৯) এ তথ্য জানানো হয়। শুক্রবার দুপুর নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রভাগ উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে বলেও জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।