নিহতের স্বজনদের দাবি, গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার কথা বলা হলেও পরিকল্পিতভাবে ময়নাকে হত্যা করেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে স্বামী জাকিরকে।
জানা যায়, সদর উপজেলার চরমিরেশ্বর এলাকার আবুল হোসেনের মেয়ে ময়নার সঙ্গে ১১ বছর আগে জাকিরের বিয়ে হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিলো তাকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নার শ্বশুরবাড়ির প্রতিবেশিদের মাধ্যমে মৃত্যু খবর পায় বাবার বাড়ির স্বজনরা। পরে শ্বশুর বাড়ির বসতঘর থেকে ময়নার নিথর লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা।
.png)
পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশিরা জানায় আজ দুপুরে ময়নাকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন মারধর করেছেন। মূলত নির্যাতন করেই তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
ময়নার বাবা আবুল হোসেন বলেন, মেয়েকে বিভিন্ন সময় নির্যাতন করা হতো। আজকে পরিকল্পিতভাবে শ্বশুর-শাশুড়ি ননদ মিলে হত্যা করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
নিহতের স্বামী জাকির বলেন, দুপুরে বাড়িতে ছিলাম না। মৃত্যুর খবর পেয়ে বাড়িতে আসি। বাবা-মা ময়নাকে মারধর করেছেন বলে শুনেছি।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এসএম ফেরদৌস জানান, মৃত অবস্থায় দুপুর আড়াইটায় ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার গলায় গভীর ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেছে তার স্বজনরা। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসা ও তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।