রোববার দুপুরে নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মেহেদী হাসান তালুকদার এ রায় প্রদান করেন। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী ছাত্রীকে প্রদানের নির্দেশ দেন বিচারক।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ নভেম্বর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া মহিলা মাদরাসার ছাত্রীরা জোহরের নামাজ পড়তে যায়। এ সুযোগে ওই ছাত্রীকে পরনের লুঙ্গি খুলে শিক্ষক আব্দুস সালাম বিভিন্ন খারাপ অঙ্গভঙ্গি করেন। একপর্যায়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানেও হাত দেন তিনি। ঘটনার পর ছাত্রীর বাবা সাপাহার থানায় অভিযোগ করেন। থানার এসআই মো. মনিরুল ইসলাম তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা থাকায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
.png)
আদালত ছয় সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি মাসের গত ২২ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শ্রবন করেন। অদ্য রায়ের জন্য ধার্য তারিখে আসামি উপস্থিত থাকায় জনাকীর্ণ আদালতে আসামিকে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় পড়ে শুনানো হয়। আসামিকে সাজা পরোয়ানামূলে জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. মেহেদী হাসান তালুকদার।
রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট মো. মকবুল হোসেন ও আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট আবু জাইদ মো. রফিকুল আলম (রফিক) মামলা পরিচালনা করেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আসামি পক্ষ উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানান।