মঙ্গলবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহমেদ।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে হামুন কক্সবাজারে আঘাত হেনেছে। যে কারণে দক্ষিণাঞ্চলের ওপরে তেমন প্রভাব দেখা যাচ্ছে না।এই অঞ্চলের শঙ্কা কেটে গেছে। তবে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া বাতাসের আর্দ্রতা ও গতিবেগ স্বাভাবিক রয়েছে।
.png)
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার শওকত আলী বলেন, বিভাগের ৬ জেলায় তিন হাজার ৩৭৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার ২৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১ হাজার ৬৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয়ের জন্য খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৫২টি মুজিবকেল্লা। প্রস্তুত করা আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৬১০ জন মানুষ ও ১ লাখ ৫২ হাজার ২২৭টি পশু আশ্রয় নিতে পারবে।
খাদ্য সংকট কাটাতে এক হাজার ৩৮০ মেট্রিক টন চাল, নগদ ২৪ লাখ তিন হাজার টাকা, ৯৬ বান্ডিল টিন ও ২ হাজার পিছ কম্বল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও শুকনো খাবারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।