সোমবার বিকেল ৪টায় দিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় এ ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।
জানা যায়, সোমবার বিকেল ৪টার দিকে কন্টেইনারবাহী ট্রেনটি ভৈরব স্টেশনে প্রবেশ করছিল। এর আগ মুহূর্তে ভৈরব থেকে এগারোসিন্ধুর ট্রেন ঢাকার দিকে রওনা হয়। পথে জগন্নাথপুর রেল ক্রসিং এলাকায় কন্টেইনারবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন এগারোসিন্ধুর ট্রেনের শেষের দুই-তিনটি বগিতে আঘাত করে। এতে এগারোসিন্ধুর ট্রেনের শেষের দুই-তিনটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
.png)
একই ট্রেনে স্বামী-সন্তানের সঙ্গে হীরা বেগমও ছিলেন। তিনদিন আগেই ছুটি নিয়ে কিশোরগঞ্জে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন হীরা বেগম (২৬)। ছুটি কাটিয়ে সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে স্বামী-সন্তানসহ ট্রেনে উঠেছিলেন তিনি। ঢাকায় ফেরার পথে ভৈরবে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই নারী হীরা ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
লাশ নিতে আসা হীরার চাচা আবু তালেব বলেন, এগারোসিন্ধুর এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে হীরার সঙ্গে তার স্বামী ও দুই বছর বয়সী ছেলে ছিল। স্বামী-সন্তান প্রাণে বেঁচে গেছেও নিহত হয় হীরা। ছুটি নিয়ে কিশোরগঞ্জে মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল হীরা বেগম।