এদিকে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় হামুন মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে খুলনা জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় তিনটি উপজেলাসহ জেলার নয়টি উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবেন তিন লাখ ১৫ হাজার ১৮০ জন।
.png)
খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হামুন মোকাবিলার অংশ হিসেবে উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে মাইকিং করার পাশাপাশি আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও আক্রান্ত হলে দ্রুত সেবা দানের জন্য কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপ উপজেলায় পাঁচ হাজার ২৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরো জানান, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নেয়া মানুষের জন্য ৩২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার মজুত করা হয়েছে। এছাড়া নগদ সাত লাখ টাকা, পর্যাপ্ত খাবার পানি এবং ৬৪৯ মেট্রিক টন চাল মজুত রয়েছে।
হামুন মোকাবিলায় মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কয়রা উপজেলার চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুনের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে এলাকায় জনসাধারণকে সতর্ক থাকার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে উপজেলার ১১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র।