বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের হাজারি বাড়ির মৃত রশিদ হাজারির স্ত্রী রোসিয়া বেগম (৬২), ও তার আপন বড় বোন ফজিলাতুন্নেছা (৬৫) এবং তার পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার (২৫)।
.png)
আহত বাসযাত্রীরা জানান, ঢাকা থেকে কে কে ট্রাভেলসের এসি বাসটি নোয়াখালী যাচ্ছিল। গৌরীপুর পার হওয়ার পর জিংলাতলী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায় বাসটি। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী ফজিলাতুন্নেছা এবং রোসিয়া বেগম মারা যান।
তাৎক্ষণিক দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। পরে ঢাকা মেডিকেল নেয়ার পথে সুমাইয়া আক্তার নামে আরো একজন মারা যান। তিনিও অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার এসআই মহসিন জানান, নিহত তিনজন একই পরিবারের। তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। বাসচালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন।